• নভেম্বর ৭, ২০১৮
  • রাজনীতি
  • 21
৮ নভেম্বরই তফসিল বহাল থাকুক: জাতীয় পার্টি

নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, নির্বাচনের তফসিলের তারিখ ৮ নভেম্বরেই বহাল থাকুক। যতদূর জানি আজকের পর আর কোনও সংলাপ হবে না। সুতরাং সংলাপের অজুহাত দিয়ে কমিশনের কাছে তারিখ পেছানোর দাবির কোনও যুক্তি থাকতে পারে না।

বুধবার (৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে সম্মিলিত জাতীয় জোটের প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার এ কথা জানান।

নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তারা আমাদের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। আমরা আট দফা নিয়ে বক্তব্য রেখেছি।

নির্বাচনের মনোনয়ন প্রক্রিয়া সহজ করার প্রস্তাব করেছেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কালো টাকার প্রভাবমুক্ত করতে হবে। নির্বাচনের সময় যাতে কোনোভাবেই অস্ত্রের ব্যবহার না হয় তার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নির্বাচনী প্রচারকালে সংঘাত বা সহিংসতা রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মোটরসাইকেল বা গাড়ি বহরের ব্যবহার সীমিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। পোস্টার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একক পোস্টার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, ইভিএম ব্যবহারের ক্ষেত্রে জনগণের মাঝে দ্বিধা-সন্দেহ রয়েছে। এটা আধুনিক ভোটের পদ্ধতি হলেও ইভিএম ব্যবহারে এখনও মানুষ অভ্যস্ত না। এটা ব্যবহারে আরও পরীক্ষা-নীরিক্ষা করতে হবে। বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন। সর্বোপরি নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে এবং নিশ্চয়তা দিতে হবে তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন নিশ্চিত করবেন। সংবিধান মোতাবেক নির্বাচন করতে হবে। তারা অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন।

তার আগে বৈঠকে জোট নেতাদের স্বাগত জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বলেন, আগামীকাল তফসিল ঘোষণা করা হবে। আমরা এর আগেও সংসদ নির্বাচন নিয়ে ঐক্যফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমাদের সকল প্রস্তুতি রয়েছে।

এরপর নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এখানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ উপস্থিত আছেন। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনে জন্য আশা করি একটি ফলপ্রসূ আলোচনা হবে। এরপর সচিব সবাইকে তার পরিচিতি দিয়ে বক্তব্য রাখার অনুরোধ জানান।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী ও নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।