• এপ্রিল ১০, ২০১৯
  • লিড নিউস
  • 16
কাজলশাহ এলাকায় ইমারত আইন না মেনে ভবন নির্মাণ

বিশেষ প্রতিবেদন: সিলেট নগরের কাজলশাহ এলাকায় (ওসমানী হাসপাতালের জরুরী বিভাগে অপরপ্রান্তে) ইমারত নির্মাণ আইন না মেনে নির্মাণ ২তলা বিশিষ্ট একটি ভবন। এলাকার প্রবেশ মুখেই নির্মাণ করা হয়েছে দুটি দোকান কোঠা। এলাকাবাসীর আপত্তি থাকা সত্তে¡ এই দোকান কোঠা ভাড়া দেয়ার জন্য চলছে তোড়জোড়। ইমারত আইনের ১৯৯৬ সালের বিধিমালা অনুযায়ি যদি কেউ কোন ভবন নির্মাণ করতে চান তাহলে তাকে ভবনের নকাশ দেখিয়ে অনুমোদন নেয়ার পাশাপাশি মূল জায়গা থেকে সাড়ে ৩ফুট জায়গা ছেড়ে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে।

অথচ ব্যস্ততম এই এলাকায় গড়ে উঠা ভবনটিতে কোন ধরণের জায়গা ছাড়া হয়নি। বরং এলাকার সংযোগ সড়কের সাথেই গড়ে উঠেছে এই ভবনটি। সংশ্লিষ্ঠ অনেকেই ভবন নির্মাণ কাজ যথাযথভাবে তদারকি করেননি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। তবে একটি পক্ষ ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য বিভিন্নভাবে জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছে। ইমারত আইন না মেনে ভবন নির্মাণ করায় ভবনের দায়িত্বে নিয়োজিতরা টাকার বিনীময়ে সংশ্লিষ্ঠদের ম্যানেজ করারও অপচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও যদি ওই দোকান কোঠা গুলো ভাড়া দেয়া হয় তাহলে ক্রেতারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে দোকান থেকে ক্রয় করতে হবে বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দারা।

নির্মিতব্য ওই ভবনটির মালিক লন্ডন প্রবাসী মনসুর রহমান। বর্তমানে ভবনটির নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন শুয়েব আহমদ। তিনি জানান, ভবনটি নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার আগেই সিলেট সিটি করপোরেশন থেকে অনুমোদন নেয়া হয়েছে। দুই তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ায় তারা কাজও শুরু করেন। ইতোমধ্যে সবকাজ প্রায় শেষ। তবে গত কয়েকদিন পূর্বে ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয় সিটি করোপোরেশন থেকে। কি জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে নোটিশ করা হয়েছে ভবন নির্মাণে যথাযথ নিয়ম মানা হয়নি। বিষয়টি সুরাহা হওয়ার পর কাজ পূনরায় শুরু হবে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রকিবুল ইসলাম ঝলক জানান, বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন নির্মাণ করার অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ রাখার জন্য নোটিশ দিয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত সব ধরণের কাজ বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়েছে।