• মে ২৯, ২০১৯
  • লিড নিউস
  • 22
জামালগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

দিল আহমেদ, জামালগঞ্জ: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জামালগঞ্জের সাচনা বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতায় মুখরিত উপজেলার বিভিন্ন বিপণীবিতান ও শপিংমলগুলো। নারী-পুরুষ ছেলে-বুড়ো সব বয়সী মানুষের পছন্দের দিকে লক্ষ্য রেখেই দোকানগুলো সাজানো হয়েছে বাহারি সাজে। দেশি-বিদেশি সকল ধরনের পোষাকের সমারোহ ঘটেছে এবারের ঈদের বাজারে।
তবে পোষাকের দামের ব্যাপারে ক্রেতা সাধারণের রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছে, পূর্বের তুলনায় দাম অনেক বেশি, আবার কেউ বলেছে স্বাভাবিক। তবে দাম বৃদ্ধির বিষয়টি বিক্রেতা পর্যায়ে মানতে নারাজ।

বিক্রেতারা বলেছেন- সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটি পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। দাম যতই হোক ঈদের আনন্দেকে বাড়িয়ে তুলতে নতুন পোষাকের কোন বিকল্প নেই।

সাচনা বাজার প্রধান প্রধান শপিং কমপ্লেক্সের মধ্যে রয়েছে- লিপি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সোনিয়া স্টোর, আল আমিন গার্মেন্টস, সিটি গার্মেন্টস, রামকৃষ্ণ বস্ত্রালয়, সীমা বস্ত্রালয়। প্রতিটি মার্কেটে প্রায় সকল দোকানেই ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতা সমাগম আর বৃদ্ধি পাবে।

এবারের ঈদে বিগত সময়ের ন্যায় ভারতীয় রাউন্ড ড্রেস লং ড্রেস, পাখি ড্রেস, কৃষ্ণকলি ড্রেস, উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের বেশিরভাগ ক্রেতারা এসব শপিংমলে কেনাকাটা করেন। তবে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য রয়েছে ফুটপাতে গড়ে উঠা ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো। স্বল্প আয়ের মানুষের সাধ্যের মধ্যে সবটুকু সুখ খুঁজতে যেন এই আয়োজন।

ঈদের দিনে নিজেকে নতুন পোষাকে সাজানোর পাশাপাশি যে বিষয়টির প্রতি নারীদের বিশেষ আকর্ষণ থাকে তা হলো পোষাকের সাথে মিল রেখে বিভিন্ন ধরনের গহনা ও কসমেটিক্স। তাই ভিড় বাড়তে শুরু করেছে এ সকল দোকানগুলোত।

নতুন পোষাকের পাশাপাশি নতুন জুতো কিনছে প্রায় সকলেই। সেজন্য জামালগঞ্জের বিভিন্ন মার্কেটের জুতার দোকানগুলোতেও জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা।

ঈদের কেনাকাটায় পুরুষ ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ পাঞ্জাবি, পাজামা- সাথে রয়েছে টুপি ও আতর। আর তাইতো রমজানের শেষ পর্যায়ে জমে উঠতে শুরু করেছে পাঞ্জাবি, টুপি ও আতরের দোকানে বেচাকেনা।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন- রমজানের প্রথম দিকে ক্রেতা সমাগম হলেও বর্তমানে বিক্রি ভাল হচ্ছে। চলবে ঈদের পূর্বরাত অর্থাৎ চাঁদরাত পর্যন্ত।

সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পাল জানান- ঈদের কেনাকাটায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।