• আগস্ট ৮, ২০১৯
  • বিজ্ঞপ্তি
  • 42
ইসলামি শিক্ষার প্রসারে শায়খ যিয়া উদ্দিনের অবদান অনস্বীকার্য

নিউজ ডেস্কঃ ইসলামি শিক্ষার প্রচার-প্রসারে, দেশ-ইসলাম ও মুসলমানের দাবি-দাওয়া আন্দোলনের অগ্রসৈনিক, মৃত্যুঞ্জয়ী নেতা মাওলানা শায়খ যিয়া উদ্দিনের অবদান অনস্বীকার্য। বাতিল আর পরাশক্তির সাথে আপোষহীন যার কর্মময় জীবন। যার সু²দৃষ্টিতে ইসলামি শিক্ষা বর্তমানে সিলেটসহ দেশব্যাপী যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগুচ্ছে। তিনিই বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মদের জন্য আদর্শের রুল মডেল হয়ে চিরদিন থাকবেন।

বৃহত্তর সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ইসলামি বিদ্যাপিট জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর এর মহাপরিচালক, কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তালিম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও সিলেট জেলা জমিয়তের সভাপতি মুফাক্কিরে ইসলাম আল¬ামা শায়খ যিয়া উদ্দিন এর জীবন কর্ম নিয়ে রচিত ‘মুফাক্কিরে ইসলাম’ জীবনী স্মারক এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) নগরীর দরগাহ গেইটস্থ শহীদ সুলেমান হলে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মাদরাসার ফাযিলদের সংগঠন আশ্-শিহাব পরিষদের ইউকে শাখার সভাপতি মাওলানা মুস্তফা আহমদ পাতনী ও সংগঠনের সভাপতি মাওলানা ফারুক আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শায়খুল হাদিস নুরুল ইসলাম খাঁন।

জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর এর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবদুল খালিক কাসিমিও সহকারী নাযিমে তালিমাত মাওলানা বিলাল আহমদ ইমরানের যৌথ পরিচালনায় মোড়ক উন্মোচনে বক্তারা আরো বলেন, সাধারণত: কোনো মানুষের প্রয়াণের পর তার জীবন ও কর্ম নিয়ে জীবনী গ্রন্থ রচিত হয়। আজকের এই অনুষ্ঠানে যে ব্যক্তিত্বের জীবন ও কর্ম নিয়ে ‘মুফাক্কিরে ইসলাম’ স্মারক রচিত হয়েছে তিনি আমাদের মাঝে সুস্থ শরীরে বেঁচে আছেন। এই ব্যতিক্রমী রচনা নিয়ে বক্তারা বলেন, জীবিত থাকাবস্থায় গ্রন্থ রচনা হলে ব্যক্তির জীবনের সকল দিক নির্ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়। এবং এই রচনা পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতাও হয়।

বক্তারা স্মারকগ্রন্থ রচনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জামিয়ার ২০১৫ সালের তাকমিল ফিল হাদিস উত্তীর্ণদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

আল্লামা শাহ্ আহমদ শফি, আল্লামা জুনায়েদ আহমদ বাবুনগরী, আল্লামা নূর হোসাইন কাসিমীসহ দেশের প্রখ্যাত ইসলামি ব্যক্তিত্বদের অভিমত/স্বাক্ষাতকার রয়েছে স্মারকগ্রন্থে।

এছাড়া দেশবরেণ্য কথাসাহিত্যিক, লেখক-গবেষক ও চিন্তাবিদদের কলম থেকে প্রায় অর্ধশত প্রবন্ধ-নিবন্ধ তাতে রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন, শায়খুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ পীর আতাউর রহমান, মুসা আল হাফিজ।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুরইঘাট মাদরাসার মাওলানা শফিকুল হক, জামিয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গার মুহতামিম মাওলানা মুহিউল ইসলাম বুরহান, মুফতি মুজিবুর রহমান, জামিয়া কাসিমুল উলূম দরগাহ মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তালিম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল বছির, মেওয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আবদুল মতিন, জামিয়া দারুল কুরআন সিলেটের প্রিন্সিপাল এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, মাওলানা তফজ্জুল হক আজিজ, মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, মুরাদগঞ্জ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আতিকুর রহমান, জামেয়া দারুল কোরআন সিলেটের শায়খুল হাদীস মাওলানা আতাউর রহমান।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা ফয়জুল হাসান খাদিমানী, মাওলানা ইউসুফ আহমদ খাদিমানী, মাওলানা আসআদ উদ্দিন আল মাহমুদ, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা আসরারুল হক, মাওলানা আবদুল হাফিজ শমসেরনগরী, মাওলানা সাজিদুর রহমান সাজিদ, মাওলানা মাওলানা মুশতাক আহমদ চৌধুরী, মাওলানা বিলাল আহমদ ইমরান, হাফিজ মাওলান ফখররুয যামান প্রমুখ।