• আগস্ট ৮, ২০১৯
  • সিলেট
  • 49
জৈন্তাপুরে তথ্য আপার, উঠান বৈঠক

জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে তথ্য আপার আয়োজনে উপজেলা বটমূলে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রকল্পের আওতায় জৈন্তাপুর তথ্য কেন্দ্রের আয়োজনে উপজেলা কমপ্লেক্স চত্তরের বটমূলে উঠান বৈঠক অনুষ্টিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ, প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ও ডেঙ্গুজ্বর নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামাল আহমদ বলেন, আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন। এদিনে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মীনি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা রেণু জন্ম গ্রহন করেন মধুমতি নদীর তীরে টুঙ্গীপাড়া গ্রামে। টুঙ্গীপাড়া নামটি শুনলেই বাঙ্গালিদের মনে অন্য রকমের ঢেউ খেলা করে। উত্তাল পাথাল ঢেউ। সেই টুঙ্গীপাড়ায় ১৮৪৫ সালে কবুতর খচিত একটি দালানবাড়ি নিমর্তি হয়েছে, যেখানে বাস করতেন শেখ আবুল কাশেম। সবুজ গাছ পালার ছায়ায় মাথা তুলে দাঁড়ানো সেই দালানবাড়ীতে ১৯৩০ সালের আগষ্ট মাসের ৮ তারিখ দুপুরে এক ফুটফুটে শিশুর জন্ম হয়, শিশুটি কন্যাশিশু। এই কন্যাশিশুটি ফুলের মত শোভাময়ী, দেখলেই মনে হবে আনন্দের শ্রাবণ অঝর ধারায় ঝরে। কন্যা শিশুটির গায়ের রং ফুলের মত শোভিত, সুবাসিত, গুনিময় হওয়ার প্রত্যাশায় মা হোসনে আরা কন্যার নাম রাখলেন রেণু। সেই প্রিয় নাম আজ দিক দিক ছড়ানো, ভালোবাসায় মেড়ানো বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা রেণু। আমরা তার জন্মদিনে শিশু কিশোরদের নিয়ে আনন্দ করি।

ডেঙ্গুজ্বর নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম বলেন- ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ করতে সবচেয়ে বড় বিষয় হল সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং বাড়ীর আঙ্গীনায় জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা। আমরা সবাই এখন থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ বাড়ীর আঙ্গীনা পরিস্কার রাখতে হবে তাহলেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।