• সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
  • শীর্ষ খবর
  • 41
জৈন্তাপুরে ইউপি সদস্যার টি.আর প্রকল্পের কাজের বিল আত্মসাতের অভিযোগ

জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের টি.আর প্রথম পর্যায়ের বরাদ্ধের কাজ না করে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে চারিকাটা ইউপি’র মহিলা সদস্য তুলন রানী দাশের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের টি.আর প্রথম পর্যায় নিশ্চিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হইতে বটতলা বাজার পর্যন্ত রাস্তা পূর্ণ নির্মান প্রকল্প” কাজের বিপরীতে ৪০হাজার টাকা বরাদ্ধ এবং “লালাখাল চা-বাগানের বংকর বাড়ী সামনা হইতে বিছাল মেম্বারের বাড়ির সামনা পর্যন্ত” রাস্তার পূর্ণ নির্মাণ প্রকল্পে ৪২হাজার টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অগ্রিম বরাদ্ধ প্রদান করেন। বরাদ্ধের টাকা উত্তোলনের পর হতে মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত ইউপি সদস্যা তুলন রানী প্রকল্পের কোন কাজ করেনি।

প্রকল্পের কাজ না হওয়ায় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে ২৪এপ্রিল লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে গত ১৪জুলাই জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ জানান। লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলেন।

ইতোপূর্বে তুলন রানী “সেলিম বাবুর বাড়ীর সম্মুখ হইতে অনুরোধ এর বাড়ী পর্যন্ত প্রকল্পের ৮মে.টন বরাদ্ধের কাজে অনিয়ম দেখা দিলে প্রকল্প কর্মকর্তা তাৎক্ষনিক ভাবে ৪টন কাজ ফেরত নেন। এছাড়া দক্ষিণ কামরাঙ্গীখেল আব্দুল্লাহ মাষ্টারের বাড়ী সামনা হইতে সিলাই নদীর মুখ পর্যন্ত ৮টন বরাদ্ধের কাজে অনিয়ম দেখা দিলে ২মে.টন বরাদ্ধ ফেরত নেয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

এলাকাবাসীর দাবী অভিলম্বে ২টি কাজের সুষ্ট তদন্তের দাবী জানান। অপরদিকে এলাকাবাসী অভিযোগের কারার কারনে ইউপি সদস্যা তাদের বিরুদ্ধে জৈন্তাপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

কাজের অনিয়ম বিষয় জানতে ইউপি সদস্য তুলন রানীর সাথে আলাপকালে তিনি জনান, আমি সব কয়েকটি সটিক ভাবে কাজ করেছি। কিন্তু কিছু ব্যক্তি আমাকে যন্ত্রনা দিয়ে অতিষ্ট করে তুলার কারনে আমি জৈন্তাপুর থানায় তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

এবিষয়ে চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল জানান, আমি কাজের তদন্ত রিপোর্ট তৈরী করে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে জমা করব।

এবিষয়ে প্রকল্প বাস্তাবায়ন কার্যালয়ের প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন বলেন, প্রকল্পের টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ পাওয়ার পর পর বিষয়টি তদন্তের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।