• নভেম্বর ৯, ২০১৯
  • শীর্ষ খবর
  • 44
জৈন্তাপুরে সমাজচ্যুত করে রাখা পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ

জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে সমাজচ্যুত করে রাখা নিরিহ পরিবারের উপর হামলা ও ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রভাবশালী সমাজপ্রতির হাতে জিম্মী পরিবার।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের লক্ষীপ্রসাদের (কান্দি গ্রাম) বশির আহমদ ও গুলজার আহমদ দুই ভাইয়ের পারিবারিক জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বাদীর স্বামী বশির আহমদ বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য শালিসের স্মরানাপন্ন হন। গ্রাম্য মাতব্বর বিবাদী আহমদ আলীকে টাকা পয়সা দিতে না পারায় গুলজার আহমদের পক্ষালম্বন করে স্থানীয় শালিস বৈঠক বসিয়ে নিরিহ পরিবারকে সমাজচুত্য করে রাখেন। জানাযায় গতদেড় বৎসর যাবত হইতে এই নিরিহ পরিবারকে সমাজচ্যুত (একঘরী) করে রাখা হয়েছে। পরিবারটির সদস্যরা বাদির স্বামী ছেলেরা মসজিদ রাস্তাঘাট হাট বাজার স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পরছেনা।

এঅবস্থায় গত ৮ নভেম্বর বাদির ছেলে সজিব আহমদ ও হাফিজ তোফায়েল আহমদ লক্ষীপ্রসাদ (দক্ষিণ) জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করতে গেলে গ্রাম্য মাতব্বর লক্ষীপ্রসাদ (কান্দি গ্রাম) গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াহাব মিয়ার ছেলে আহমদ আলী (৬০), আহমদ আলীর ছেলে মোঃ ইয়াহিয়া (১৯) মৃত ইদ্রিছ আলীর ছেলে ফরিদ আহমদ, মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে শাহরিয়ার (২৪), মৃত মছদ আলীর ছেলে বিলাল আহমদ (৫৫) গং আসামীরা জুম্মার নামাজ থেকে বের করে দেন। পরবর্তীতে নামাজ শেষে বেলা অনুমান ২টায় প্রভাবশালী সমাজপ্রতি আহমদ আলীর নির্দেশে সমাজচুত্য পরিবারের সদস্য হয়ে মসজিদে নামাজ পড়াতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে নিরিহ সমাজচ্যুত বশির আহমদের বাড়ীতে হামলা চালায় এবং ভাংচুর করে।

এঘাটনায় শিশু মহিলা সহ ৫জন আহত হন। মারপিটের ঘটনার খরব পেয়ে নিকট আত্মীয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করে জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ৪জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ী পাঠান এবং গুরুত্বর আহত সুরাইয়া বেগমকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি দেন।
এদিকে সুরাইয়া বেগম ন্যায় বিচার দাবী করে জৈন্তাপুর মডেল থানায় ৯ নভেম্বর শনিবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

সরেজমিনে এবিষয়ে জানতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসি জানান দীর্ঘদিন হতে নিরিহ পরিবারটিকে সমাজচ্যুত করে রাখা হয়েছে গতকাল মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করতে গেলে তাদের উপর হামলা করা হয়। আইনগত ভাবে তাদের শাস্তি দাবী করেন।

অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্তে সরেজমিনে অফিসার প্রেরন করেছি। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনকরা হবে। একটি পরিবার দীর্ঘদিন হতে সমাজচ্যুত করে রাখার বিষয়টি আমাদেরকে কেউ জানাননি।