• ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২০
  • জাতীয়
  • 35
চীন থেকে ফেরত আসা ৩১২ জন বাড়ি যাবেন ১৪-১৫ ফেব্রুয়ারি

নিউজ ডেস্কঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিশ্বের অনেক দেশে করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করলেও বাংলাদেশে কেউ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। তাই করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হবেন না।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্যদের জন্য আয়োজিত হেলথ ক্যাম্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কোনো মানুষের করোনাভাইরাস ধরা না পড়লেও এটি প্রতিরোধে নানা ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বিষেশায়িত তিনটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যদি কারও শরীরে এ ভাইরাস দেখা দেয় তবে সেসব হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হবে। এর পাশাপাশি দেশের বেসরকারি হাসপাতালে এ সংক্রান্ত দিকনির্দেশনামূলক লিফলেট, বুকলেট পাঠানো হয়েছে। সে অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি চীন থেকে ফেরত ৩১২ জনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। তাদের কারও শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি। তাদের আগামী ১৪-১৫ ফেব্রুয়ারি তাদের ছেড়ে দেয়া হবে।

তার সময়ে চিকিৎসা সেবার নানা উন্নয়ন তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে কিডনি, হার্ড, ডায়াবেটিকসসহ নানা ব্যাধি বেড়ে গেছে। এ কারণে সব সরকারি হাসপাতালে এসব রোগের আধুনিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিটি উপজেলার হাসপাতালে কিডনি রোগীদের জন্য ৮টি করে বেড স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেন্ট্রাল হাসাপাতালগুলোতে রোগীদের জন্য বেড বাড়ানো হচ্ছে।

‘আমাদের প্রধান সমস্যা জনবল সংকট। এ কারণে নতুন করে আরও ১,৫০০ নার্স নিয়োগের প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে মামলাজনিত কারণে হাসপাতালে ৩য়-৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও সেটি আবারও চালু করা হচ্ছে। সারাদেশে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হবে।’

অনুষ্ঠানে ডিআরইউয়ের সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপত্বিতে আরও বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি রুহুল আমিন খন্দকার, সম্মানিত অতিথি অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটু, ডিআরইউয়ের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে গত ১ ফেব্রুয়ারি চীনের উহান থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটে সর্বমোট ৩১২ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তাদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ২৯৭ জন, এক বছরের বেশি বয়সী ১২ জন ও এক বছরের নিচে তিনজন রয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আশকোনায় হজ ক্যাম্প ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে তাদের রাখা হয়েছে।