• মার্চ ২৭, ২০২১
  • শীর্ষ খবর
  • 228
হবিগঞ্জে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগরে পুলিশ ও বিএনপি’র অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।

শনিবার দুপুরে শায়েস্তানগর এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। শুক্রবার চট্টগ্রামে পুলিশের গুলিতে ৪ জন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে শনিবার মিছিল করে বিএনপি। এই মিছিল থেকে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বাধে।

আহতদের হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ১২ রাউন্ড টিয়াশেল নিক্ষেপ করে। এ ছাড়াও বিএনপির বেশকয়েকজন নেতা কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, সারাদেশে নিরীহ মানুষ হত্যার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার দুপুর শহরের শায়েস্তানগর এলাকার বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। এক পর্যায়ে জেলা কার্যালয় থেকে মিছিল নিয়ে শায়েস্তানগর পয়েন্টে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে কোন কারণ ছাড়াই পুলিশ তাদের উপর হামলা চালায়। এতে বিএনপি’র অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। গুলিবিদ্ধ হয় বেশ কয়েকজন।

হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিগংন আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক জিকে গউছের ছেলে মঞ্জুরুল কিবরিয়া প্রিতম, তার ভাই জিকে গফ্ফার, তার ছেলে আদনান ফাহাদ রাফিদকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।’

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জিকে গউছ বলেন, ‘আজ যুবদল, ছাত্রদল, সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ছিল। কিন্তু হঠাত পুলিশ পাড়ার ভেতর ঢুকে বাসা থেকে আমার ভাই, ছেলে ও ভাতিজাকে আটক করে নিয়ে যায়। অথচ আমার ভাই কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নয়। আর আমার ছেলে ব্যারিস্টার হয়ে ৫ বছরে দেশে এসেছে। আমার ভাতিজা নটরডেম কলেজে লেখাপড়া করে তারা কেউই কোন রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ত নয়। কিন্তু পুলিশ বাহবা পেতে তাদের অকারনে নিয়ে যায়।’

হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুক আলি বলেন, কোন ধরণের অনুমতি ছাড়াই বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রধান সড়কে যান চলাচল ব্যাহত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছিল। এসময় তাদের বাধা দিলে তারা কারণ ছাড়াই পুলিশের উপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে রাস্তায় ব্যরিকেড দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এসময় তাদের আঘাতে পুলিশের অন্তত ১০ সদস্য আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে।

এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •