• সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১
  • লিড নিউস
  • 91
পুলিশের কলার চেপে ধরায় আটক ভাইকে ছাড়িয়ে নিলেন আ.লীগ নেতা

নিউজ ডেস্কঃ মহাসড়কে ইজিবাইক ছাড়িয়ে নিতে এসে পুলিশের কলার চেপে ধরার অভিযোগে আটক ইসমাইল আলীকে ‘মুচলেকা’ দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়েছেন তাঁর বড় ভাই ও সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী।

গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে থানায় গিয়ে লিয়াকত তাঁর ভাইকে ছাড়িয়ে আনেন। এর আগে ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে ইসমাইলকে আটক করেছিল পুলিশ। ইসমাইল জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

জানতে চাইলে জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদ আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা ভুল–বোঝাবুঝি হয়েছিল। তাঁর বড় ভাই (আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত আলী) ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা থানায় এসে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এরপর আটক ব্যক্তিকে তাঁদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

মুচলেকার বিষয়ে ওসি বলেন, এটা ঠিক মুচলেকা বলা যাবে না, সমাধান হয়েছে বলা যায়।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা জানান, লিয়াকত তাঁর ভাইকে ছাড়িয়ে নিয়ে যে পুলিশ সদস্যের সঙ্গে ঘটনা ঘটেছিল, তাঁকে ‘খুশি’ করায় তিনি তাঁর অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঘটনার সময় তিনি বলেছিলেন, তিনি সিলেটে আছেন। পুলিশের কলার চেপে ধরার ঘটনাটি সত্য নয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় সিলেটের তামাবিল মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী কয়েকটি ইজিবাইক জব্দ করে জৈন্তাপুর থানা-পুলিশের একটি দল। সন্ধ্যায় জব্দ ইজিবাইকগুলো জৈন্তাপুর থানা প্রাঙ্গণে রাখা হয়। রাত আটটার দিকে একটি ইজিবাইক ছাড়িয়ে নিতে থানায় যান মো. ইসমাইল হোসেন। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশের দুজন সদস্যের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হওয়ার একপর্যায়ে এক পুলিশ সদস্যের কলার চেপে ধরেন তিনি।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ইসমাইল বলেন, ‘আমি কলার চেপে ধরিনি। ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়েছে। পুলিশ আমাকে বলেছে সরে যান। আমি বলছি, আমি এই এলাকার মেম্বার, সরে যাব কই, সরবেন তো আপনারা—কথার জেরে আমাকে আটক করা হয়েছে। সেখানে পুরো ঘটনা জেনে আমার ভাই ও চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ঘটনা নিষ্পত্তি হয়েছে। কথা-কাটাকাটি যাঁর সঙ্গে হয়েছিল, তাঁকে সরি বলেছি।’

সূত্রঃ প্রথম আলো

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •