• জানুয়ারি ২৪, ২০২২
  • জাতীয়
  • 102
করোনায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৪৮২৮

নিউজ ডেস্কঃ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৮২৮ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯৬৪ জন।

একই সময়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ২৩৮ জনের।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯৯৮ জন।

এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮৫৯ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৬০টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৪৫ হাজার ৯৯৯টি এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৮০৭টি।

এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ২১ লাখ ৬২ হাজার ৬৮৭টি।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৫ জনের মধ্যে নয়জন পুরুষ এবং ছয়জন নারী। মৃত ১৫ জনের মধ্যে রয়েছেন ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে পাঁচজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন।

এতে আরও বলা হয়, মৃত ১৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ছয়জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের একজন, রাজশাহী বিভাগের একজন, খুলনা বিভাগের একজন, বরিশাল বিভাগের একজন, সিলেট বিভাগের দুইজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের তিনজন রয়েছেন। মৃত ১৫ জনের মধ্যে ১২ জন সরকারি হাসপাতালে এবং তিনজন বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন এক হাজার ৮৬৫ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৪২৪ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন তিন লাখ ৯৯ হাজার ৬৪০ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন লাখ ৫৮ হাজার ৭৬৯ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪০ হাজার ৮৪১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •