• মে ৭, ২০২২
  • জাতীয়
  • 209
মুহিতের লেখায় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা রয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ সদ্য প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ছোট ভাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ওনার (মুহিত) লেখালেখির মধ্যে বাংলাদেশের আগামী ভবিষ্যৎ কীভাবে নির্ণয় করা উচিত, সেগুলোর অনেক উপাদান আছে।

শনিবার (৭ মে) বাদ আছর গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদে সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিতের কুলখানি উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ড. মোমেন।

তিনি বলেন, উনি যত লেখালেখি করতেন সব আমাকে দিতেন। উনি অনেক বছর লেখালেখি করেছেন। সেই লেখালেখির মধ্যে বাংলাদেশের আগামী ভবিষ্যৎ কীভাবে নির্ণয় করা উচিত, সেগুলোর অনেক উপাদান আছে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ওনাকে (মুহিত) সুযোগ দিয়েছেন। যার ফলে ওনার চিন্তা-ভাবনা বাস্তবায়ন বা অনেক প্রতিফলিত হয়েছে। এজন্য শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের পরিবারের কৃতজ্ঞতা।

এর আগে দোয়া মাহফিলে সদ্য প্রয়াত আবুল মাল আবদুল মুহিতের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত হওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান আবুল মাল আবদুল মুহিতের বড় ছেলে শাহেদ মুহিত।

গত ২৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান সা‌বেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন উল্লেখ করে ছোট ভাই মোমেন বলেন, উনি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সেবা করেছেন। মানুষের মঙ্গলের চেষ্টা করেছেন। দেশের অর্থনীতিকে একটা দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে গেছেন। আমরাও যেন ওনার মতো নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে পারি। যাতে আমরা আমাদের দেশটাকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা ও উন্নত সমৃদ্ধশালী করতে পারি সেই প্রত্যয় হোক সবার।

দোয়া মাহফিলে সাবেক অর্থমন্ত্রীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম সাইদুজ্জমান, সাবেক সচিব এম মোকাম্মেল হক, মুহিতের ছোট ভাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইনাম আহমদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।