• জুলাই ২, ২০২৩
  • জাতীয়
  • 101
কমতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের ঝাঁঝ, দাম কমলো কেজিতে ১২০ টাকা

নিউজ ডেস্ক: ঈদুল আজহার ছুটির পর আবারও ভারত থেকে কাঁচা মরিচ বোঝাই ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে আসা শুরু করেছে। এ খবরে কমতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের ঝাঁঝ। একদিন আগেও যে মরিচ ৫০০ টাকা ছিল, তা কমে এখন ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রোববার (২ জুলাই) ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ বোঝাই ভারতীয় ছয় ট্রাক দেশে এসেছে। সোমবার (৩ জুলাই) সবগুলো বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হলে দাম আরও কমবে বলে দাবি আমদানিকারক ও বিক্রেতাদের।

একদিনের ব্যবধানে কেজিতে ১৫০ টাকা দাম কমায় খুশি জানিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার দাবি জানিয়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

হিলি বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কাঁচা মরিচের দামের যে ঊর্ধ্বমুখী তাতে গত কয়েকদিন ভয়েই কিনিনি। আজ ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপর ক্রেতা নারগিস সুলতানা বলেন, কাঁচা মরিচের দাম অন্য সব পণ্যকে ছাড়িয়ে গেছে। দাম বাড়তে বাড়তে ৫০০ টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে আজকে কিছুটা কমেছে।

হিলি বাজারের কাঁচা মরিচ বিক্রেতা বিপ্লব শেখ জানান, বিভিন্ন কারণে কাঁচা মরিচের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এদিকে আমদানি ও সরবরাহও বন্ধ। এতে পণ্যটির দাম বেড়েছে। তবে গতকালের চেয়ে আজ মোকামে কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কম। দেশীয় কাঁচা মরিচের পাশাপাশি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি শুরু হলে দাম আরও কমবে।

রাজধানী ঢাকায় কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে কমেছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। কারওয়ান বাজারে আজ রোববার প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষ কম কিনছেন এবং আজ থেকে আমদানি করা মরিচ বাজারে ঢুকতে পারে। এসব কারণে মরিচের দাম কমেছে।

কারওয়ান বাজারে শনিবার (১ জুলাই) পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৪৪০ থেকে ৪৫০ টাকায়। আজ সেই মরিচ বিক্রি হয়েছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়। খোলা বাজারে আজ প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়, যা গতকাল ছিল ৬০০ টাকা।

উল্লেখ্য, ঈদের আগে বন্দর দিয়ে ৫ ট্রাকে ২৭ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়। এতে করে বন্দরে ২শ থেকে ২শ ২০ টাকা দরে মরিচ বিক্রি করা হয়েছিল। কিন্তু রফতানি শুরু হওয়ায় ভারতের বাজারেই কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা বাড়িয়ে দেয় ব্যবসায়ীরা। পূর্বে যে কাঁচা মরিচ ১শ থেকে ১শ ১০ রুপিতে ক্রয় করে আমদানি করা যেত বর্তমানে তা বেড়ে ১৪০ রুপি পড়ছে। তাতে করে পরিবহন খরচ ও আমদানি শুল্ক মিলিয়ে ২৪০ টাকা পড়তা পড়বে যার কারণে ২৫০ টাকার নিচে বিক্রি সম্ভব নয়।