• ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
  • শীর্ষ খবর
  • 19
সিলেটে অভিজিৎ-স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বলন, খুনিদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়ের স্মরণে সিলেটে প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়েছে। সোমবার( ২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদমিনার প্রাঙ্গণে এ প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়। এ সময় অভিজিৎ রায়কে স্মরণ করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, অভিজিৎ রায় একটি বিজ্ঞানমনস্ক, উদার ও যুক্তিবাদী সমাজ গঠনের লক্ষ্যে লেখালেখি করেছেন। এ কারণে তাকে প্রাণও দিতে হয়েছে। অভিজিৎসহ কয়েকজন যুক্তিবাদী লেখককে হত্যা এবং সরকারের আপোষের কারণে এখন মৌলবাদী গোষ্ঠী আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। দেশে এখন একটি ভয়ের পরিবেশ বিরাজ করছে। মানুষজন কথা বলতেও ভয় পায়। লেখকরা স্বাধীনভাবে লেখালেখি করতে পারেন না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থপতি রাজন দাস, প্রাবন্ধিক ও লেখক এনামুল হক, পরিবেশ কর্মী আশরাফুল কবীর, হযরত বিনয় ভদ্রে, সাংস্কৃতিকর্মী অরূপ বাউল, নাট্যকর্মী উত্তরা সেন পম্পা, দেবুজ্যোতি দেবু,লেখক সামসুল আমিন, পরিবেশকর্মী মাহবুব রাসেল, রিপন চৌধুরী, কবি মেকদাদ মেঘ, ছাত্র ইউনিয়ন সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান প্রান্তিক প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বইমেলা থেকে বের হবার পর প্রকাশ্য রাস্তায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ব্লগার, লেখক অভিজিৎ রায়। এ হামলায় অভিজিতের স্ত্রী রাফিদা আহমেদও গুরুতর আহত হন। অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের পরদিনই তার বাবা অধ্যাপক অজয় রায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছিলেন। ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও এক আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধান ও বরখাস্ত হওয়া মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক, জঙ্গিনেতা আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ও আরাফাত রহমান ওরফে সিয়াম। তাঁদের মধ্যে পলাতক জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন শফিউর রহমান ফারাবী।