• মে ৩, ২০২৬
  • শিক্ষাঙ্গন
  • 61
শিক্ষকদের পাশাপাশি গবেষণা অনুদান পেলেন শাবিপ্রবির ১৮৬ শিক্ষার্থী

শাবি প্রতিনিধিঃ শিক্ষকদের পাশাপাশি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বিভিন্ন অনুষদের ১৮৬ শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে পাবলিকেশন ইনসেন্টিভ অ্যান্ড এমএস থিসিস রিসার্চ গ্রান্ড বিতরণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. এএম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে দেন উপ-উপাচার্য ড. মো. সাজেদুল করিম, ফিজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আহমেদ কবির চৌধুরী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, লাইফ সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফারুক মিয়া, এপ্লাইড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মস্তাবুর রহমান, এগ্রিকালচার অ্যান্ড মিনারেল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এবং ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শাহিদুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ১৮৬ জন শিক্ষার্থী অনুদান পাচ্ছে এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই অনুদানের মাধ্যমে গবেষকরা আরও উৎসাহিত হবেন।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, গবেষণায় শিক্ষার্থীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে হবে।

গবেষণা কার্যক্রম যেন মানবজাতির কল্যাণে আসে, সে বিষয়ে গবেষকদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানের প্রতি অনুরোধ করেছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য ড. মো. সাজেদুল করিম বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সেন্টারকে এ আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ আরও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি বলেন, আজ যারা পুরস্কৃত হয়েছেন, তাদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরও উন্নতমানের গবেষণা প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তিনি গ্রুপভিত্তিক গবেষণাকে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমে রাজনীতির প্রভাব থাকা উচিত নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষকতা জীবনে কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও তার অধীনে গবেষণায় সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে বঞ্চিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ।

গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ইনসেন্টিভ অ্যান্ড এমএস থিসিস রিসার্চ গ্রান্ড দেওয়া হয়।